Friday, July 31, 2015

মুখভরা দাড়িগোঁপ
পেটভরা ধুয়ো
দশ বারো জন একসাথে
আমরা সকলে পাগল
সকলেই পাগোল......।
দিনভর ঘুম
কলেজ, অফিস বন্ধ
ডাল ভাত আলু মাখা
সব আমাদের জন্য
আমাদের জন্য...।
টলতে টলতে ফুটবলে পা
নাকি পায়ে ফুটবল
যাই হোক
থাক থাক বই
ধুলোর বাসস্থান
গন্ধটা পুরানো
আমরা ঘুমিয়ে
শুধুই ঘুমিয়ে...।
চার পাঁচ ঘন্টা
ছাদের ওপর ছাঁদ
আকাশ ছুই ছুই
চুপ চাপ বসে সারাক্ষন
আমারই দেশের গতি
কুঁড়ে ঘরের তোবড়ানো গাল
আমরাও ভন্ড অনেকের মত
তবু আমরা সুর্য
আমরা সুর্য...।
আমায় কেউ ডাকল না
চার সবজি ভাত সব শেষ
আলুমাখা দিয়ে দুটো মুড়ি
সেটাও বেশ ছিল
সিলিন্ডার টা খালি...!!
দুঃখ আমায় মানায় না
সুখ আমায় ডাকে না
আর চিন্তা আমার পিছু ছাড়ে না
ক্লান্ত বাবা আর পারছে না
আমিও ক্লান্ত টাকা চেয়ে...।
যে জায়গাটাতে আমি সেরা
সেটা করলে পেট চলবে না
তবু করি, সুযোগ বুঝে, আর ভালোবেসে
গরীব ভেবে বসে থাকি নি ঘরে
তাই আজ হতে চলেছি ঘর ছাড়া ভিখারী
হারতে বসেছি আজ
আর হারাতে বসেছি...
আর পারছি না...
এবার মুক্তি চাই
মুক্তি চাই.........।

Thursday, July 30, 2015

সময় যখন খারাপ...
সময় আসছে যাচ্ছে নিজের মত
ধুঁ ধুঁ মরুতে বালির বন্যায় হারিয়ে যাচ্ছে স্বপ্ন শত
দিনভর চিন্তায় মরীচিকা যায় না দূরে
অজস্র তারা রাতের অন্ধকারে পুড়িয়ে মারছে
ঝরছে উল্কা মাথার ওপর...।
মাস মাস করে কেটে গেল বছর খানিক
ডিমের খোঁজে হাত হাতড়ায় মুরগী খোপ
খড়কুটো ছাড়া উঠলো না কিছু আর
পায়রা হাসে কঁড়িকাঠ থেকে...
অসহায় চোখে সহ্য হচ্ছে না আর বাঁদরের লাথি...।
দীর্ঘশ্বাস ফেলতে ফেলতে
ঘড়ির কাঁটার বেড়েছে বেগ
চিরশূন্যতা অনুভুতির এই দিনে
হায় রে পাগল, ঘর ছাড়া পাখি
ঝোড়োকাক হয়ে আছে আজ রাস্তার কিনারে...।
মনে পড়বে তখন 


প্রশ্নটা ঠিক তোমায় নিয়ে না
না তোমার বর্তমান ভালোবাসাকে নিয়ে
তোমার প্রতিটা অনুভুতির শেষে আমি শুধু ভাবি
সব শেষে যখন তোমার ছোয়া গুলো বার বার ধরা দেবে
এক স্বপ্ন হয়ে, বাস্তব থেকে দূরে কোথাও
হয়ত মাটির নিচে, যখন শরীরটা পচবে
ব্যাকটেরিয়া গুলো ছিঁড়ে খাবে আমায়
বা হয়ত সারা দেহ জ্বলন্ত আগুনে নশ্বর হবার পর
আমার হাড়গুলো যখন যুদ্ধ করবে
আর হেরে গিয়ে মাটিতে বিলীন হতে চাইবে
তখন কি আমার আত্মা তোমায় খুঁজবে
বা তোমার আত্মা আমায় খুঁজবে
আর একটা জীবনের জন্য, আর একটা ভালোবাসার জন্য?!
নাকি অবহেলিত খুলিটার মত
আমাদের ভালোবাসা হারিয়ে যাবে শ্মশানের মাটিতে
নয়তো চাপা পড়ে যাবে কবরে।

আচ্ছা ধরে নাও আরও একটা জীবন তুমি পেলে
আমিও পেলাম ...
তখন কি আমরা মনে করতে পারব আমাদের ভালোবাসা কে
মনে করতে পারবে আমাকে
বা আমি কি মনে করতে পারব
তুমি আমার সেই চারুলতা!!!!!

Wednesday, July 29, 2015

সবাই অনেককিছু দিয়ে ভালোবাসা কে ভালোবাসার দুঃখকে, কষ্টকে প্রকাশ করে
আর এই কবিতাটাই ভালোবাসাকে আর কষ্টকে ব্যবহার করে অন্যকিছু বোঝাতে চেয়েছি...
জীবনের কিছু ব্যর্থতা কিন্তু সেটা ভালোবাসা বা হারিয়ে যাওয়া প্রেম নয়।



আমের আঁটির মত ছিটকে যাওয়া ভালোবাসা
মাঝে মাঝে তাড়া করে আজও
খ্যাপা ষাড়ের মত...
ষড়যন্ত্রের মিথ্যে তুফানে
উড়িয়ে নিয়ে গেছে পেঁয়াজের খোসা
কার্বাইডের ছোয়ায় পাকতে শুরু করেছে
সবুজ তাজা কাঁচকলার মত কষ্টগুলো...
খেলার মাঠ থেকে বাইরে চলে যাওয়া
ক্রিকেট বলের মত মুক্তি চাইছি বারবার
রক্ষে পাচ্ছি না খেলোয়াড়ের চাপে
ব্যটস্ ম্যনের হাতের জোর কমেছে অনেক...
বোলতার ভয়ে ঢাকা দিচ্ছি নিজেকে
বস্তাভরা কিছু ছেঁড়া দুঃখ দিয়ে
কাঁঠালের আঠা ছাড়ছে না
জড়িয়ে থাকা অতীতের কিছু ভালোবাসা...!!!

https://www.facebook.com/amaderkothaguccha

Tuesday, July 28, 2015

মহামাতাল, খোলা রাস্তা
একাকী জীবন
স্বপ্নেরা হাত বাড়ায়
সবুজ মন , ছন্দ শেষ
পড়ে থাকা ছেঁড়া বই
প্রানের কালো ছবি
এবার তোর ছুটি
পেয়েছে নিমন্ত্রন......।

Thursday, July 23, 2015

আজ বৃষ্টির ওপারে বারবার উম্মাদ হচ্ছি
স্টেশনের ভিজে গন্ধে।
কয়েকশ ট্রেনের যাতায়াতের মাঝে আমি,
তোমায় ভাবছি আপন মনে।
মাঝে মাঝে আমার উষ্ণহাত বাড়িয়ে
বৃষ্টি ভেজা হাতে তোমায় অনুভব করছি।।

কখনও ট্রেনে চড়ে রিষড়া থেকে চন্দননগর
কখনও শিয়ালদাহ !
চেনা জায়গায় কত অচেনা লোক,
সবাই ব্যস্ত নিজ কাজে
আমার চিন্তা কখন বাড়ি ফিরব

চোখ চলে যায় বারবার ডিজিটাল ঘড়ির লাল আলোয়।।

Wednesday, July 22, 2015

তুই শুধু বাঁচতে চেয়েছিলি দুচোখ ভরা রঙ নিয়ে
বুঝিনি সেদিন তোর ওই দু-চোখ ভরা ভালোবাসার রঙ
বুঝিনি তোর ঠোঁটে লেগে থাকা আমার ঠোঁটের কথাগুলো
কত চিন্তা অনুভুতির লাল নীল সাদা কালো রঙ
বুঝেছিলাম শুধু তোর লিপ-স্টিকের লাল রঙ টা
রুপকথার কিছু সুখের গল্প ভাবিনি সেদিন
বাস্তব ইঁট মারলে পাটকেল টাও খেতে হয়
বুঝেছি আজ স্বার্থপর জীবনের হিসেবনিকেশটা
শীত(১)

রোদদুপুর শীতকাল
পিঠেপুলির তোড়জোড়
রোদ পিঠ করে ঘুম
গরমজলে স্নান
নদী যাওয়া বারণ
এখন জল ঠান্ডা!
ছাদে বই নিয়ে বসা
খামারে তাসের আসর
সামনে মকরসংক্রান্তি
নতুন জামা প্যান্ট
নতুন জুতো
দোকানে ভীড় প্রচুর।
অনেকগুলো গ্রামীণ মেলা
অনেকগুলো খেলনা গাড়ি
নতুন বউ-বর নিয়ে ঝগড়া
চেনা-অচেনা ভবিষ্যৎ রচনা।
আমের বকুল দু-একটা
সরস্বতী পূজার দেরি একটা মাস
ততদিন কাটুক লেপের তলায় !

Tuesday, July 21, 2015

হঠাৎ করে সব কেমন থেমে গেছে
ঠিক ঝড়ের পরের মুহুর্ত
উড়ে গেছে ঘর, বাগান তছনছ
চারিদিক ডালপালা,
গাছ ভেঙ্গেছে অনেক গুলো
সব ব্যস্ত নিজ নিজ কাজে
একটা পাখি চুপ করে বসে আছে
ছাদের বেরিয়ে আসা জলের পাইপে
যেন বাসা হারিয়েছে
না না !!!!
সামনে চেয়ে কিছু একটা খুঁজছে...
তালগাছের বাসাগুলো তো ঠিকই আছে!
পরিবেশ বলে দিচ্ছিল তার কাহিনী
স্বজন হারার বেদনা!
বলে দিচ্ছিল সকল নিস্তব্ধতার মধ্যে
তার চাঞ্চল্যের কারণ!!
https://www.facebook.com/amaderkothaguccha/photos/a.417963018394512.1073741827.417960411728106/420718341452313/?type=1&theater
কিছু বন্ধুত্ব হারিয়ে যায় মাঠের দিগন্তে
সবুজ ঘাসের আড় দিয়ে চলে যায় বহু দূরে
জমির লতাগুলো চাইলেও আটকাতে পারে না...
ধরনের ফেটে যাওয়া পুকুরটা ভরে যায় নোনা জলে
বন্ধুত্ব ফিরে তাকালো না একবারও !
কয়েক বছর পেরিয়ে গেল
ধান-আলু-তিল হয়ে আবার ধরন এল
বন্ধুত্বকে আর মনে নেই ঘাস লতা আর পুকুরের
সময় এর সাথে সাথে মাঠ রঙ বদলাচ্ছে
সবুজ, সোনালি, গাঢ় বেগুনি।
বহু বছর পর বন্ধুত্ব সবুজ চাইল আবার
চাইল গমের সোনালি চমক
সমুদ্রের নোনাজল ছেড়ে চাইল পুকুর,
ঘাসের ওপর শিশির কণার ঝিকিমিকি
সাতরঙা রামধনু, আর মেঠোগরুর দল
সবুজ তখন হারিয়ে গেছে মরুভুমির দেশে...
একদিন হঠাৎ চোখের সামনে একটা সবুজ ঘাস
শেষ শিশির কণা টুকু শুকছে
বন্ধুত্ব তখন ভালোবাসায় পরিনত
নিজের ধুলোভরা জামা দিয়ে যতটা পারল রোদ আড়াল করল
ভালোবাসা হারাল শিশির কণা
চোখের নোনা জল ঝরতে থাকল ভালোবাসার শরীর থেকে,
ভালোবাসা বন্ধুত্বে ফিরে এল
বন্ধুত্ব তখন বন্ধুহীন
মরুভুমির মাঝ সমূদ্রে
ঢলে পড়ল বাহুবল
সে পলকে সেই মাঠের দৃশ্য ভেসে উঠছিল বারবার...।।